সার্বভৌম সম্পদ তহবিল মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

214
Cabinet meetings
বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক

ঢাকা,মঙ্গলবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ : প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ কাজে লাগাতে ‘বাংলাদেশ সার্বভৌম সম্পদ তহবিল’ গঠনের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফকালে বলেন, এই তহবিলের অনুমোদিত মূলধন হবে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এর প্রাথমিক মূলধন হবে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বলেন, বহু দেশে এ ধরনের তহবিল আছে। বিদেশ বা বিদেশী কোন ব্যাংকের সঙ্গে ম্যাচিং ফান্ড করতে এ ধরনের তহবিলের প্রয়োজন হয়। সচিব বলেন, এর রূপরেখা এখনো প্রণীত হয়নি। তবে প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অর্থ পরিশোধ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে বিভিন্ন আইনের ৫টি খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট আইন-২০১৭। এতে যেকোন অসদাচরণ বা অসাধুতার জন্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট অব বাংলাদেশের কোন সহযোগীর সদস্যপদ বাতিলের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া অনুমোদনের মধ্যে বাণিজ্য সংগঠন আইন-২০১৭, কৃষির জন্য ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা-২০১৭ ও দু’টি আইএমও কনভেনশনের অনুসমর্থন রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাণিজ্য সংগঠন আইনটি ছিল মূলত ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশের বাংলা রূপান্তর। মন্ত্রিসভা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আইনটি যুগোপযোগী করে পেশ করতে বলেছে। ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইনটি ১৯৮৫ সালের এ সম্পর্কিত অধ্যাদেশের বাংলা রূপান্তর। এতে বলা হয়েছে, লাইসেন্স ও উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন ছাড়া কোন টিউবওয়েল স্থাপন করা হলে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা জরিমানা বা ৭ দিন কারাদন্ড বা উভয় দন্ডই হতে পারে এবং সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়ায় এ দন্ড নির্ধারিত হবে।সূত্র: বিএসএস