সাতক্ষীরায় নৈশকোচের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

169
নিহত মা ও মেয়ের লাশ সাতক্ষীরা হাসপাতালে
নিহত মা ও মেয়ের লাশ সাতক্ষীরা হাসপাতালে

সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী নৈশ পরিবহনের সাথে ইঞ্জিনচালিত একটি ইজিবাইকের ধাক্কায় দু’যাত্রী মা ও মেয়ে নিহত হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া মোড়ে।   মা শাহিদা খাতুন ও মেয়ে সালমা খাতুনসহ সাত-অাটজন  সকালে ইঞ্জিনচালিত ইজিবাইকে করে কাজে যাচ্ছিলেন। মাধবকাটি থেকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইঞ্জিনচালিত একটি ইজিবাইকে করে শাহিদা খাতুন, সালমা খাতুন, ফতেমা খাতুন ও আমেনা বেগমসহ তারা সাত-আট জন লাবসা পলিটেকনিক কলেজের পাশে চট তৈরির কারখানা ইয়াকিং পলিমার লিমিটেড এ কাজে যোগদান করার জন্য যাচ্ছিল। এ সময় ইজিবাইকটি ছয়ঘরিয়া লস্কর ফিলিং স্টেশনের উত্তর পাশে পৌঁছানো মাত্রই পিছনদিক থেকে ঢাকাগামী একে ট্রাভেলস এর একটি কোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজিবাইকের সামনে ধাক্কা মারে। কোচের ধাক্কায় ইজিবাইকটি উল্টে সড়কের খাদে পড়ে যায়। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।  এতে শ্রমিক মা শাহিদা খাতুন ও মেয়ে সালমা খাতুন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এছাড়াও আমেনা খাতুন নামে এক নারী ও মো. আমির আলীসহ পাঁচ আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য নিহত মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। নিহতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চুপড়িয়া গ্রামের আব্দুর রউফের স্ত্রী শাহিদা খাতুন (৪০) ও তার মেয়ে সালমা খাতুন (২০)। আহতরা হলো সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বলাডাঙা গ্রামের আমের আলীর ছেলে রণি হোসেন (১৫), ওয়ারিয়া গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী আমেনা বেগম (৩৫) ও তুজুলপুর গ্রামের শহীদুল ইসলামের স্ত্রী ফতেমা খাতুন (২৫)। অপর দু’জনের পরিচয় জানা যায়নি।  লাবসা পলিটেকনিক কলেজের পাশে চট তৈরির কারখানা ইয়াকিং পলিমার লিমিটেডের কারখানায় কাজ করে।