শিক্ষার্থীদের ওপর পরিবহনশ্রমিকদের হামলা

17
শিক্ষার্থীদের ওপর পরিবহনশ্রমিকদের হামলা

নারায়ণগঞ্জের মৌচাক এলাকায় বিভিন্ন স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে পরিবহনশ্রমিকেরা। এসময় শিক্ষার্থীদের মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে শ্রমিকরা। শিক্ষার্থীদের যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ পরিবহন মালিক-শ্রমিকরাও পাল্টা অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। এসময় তারা ঢাকামুখী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট একপর্যায়ে মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ফলে ভোগান্তিতে পরে বিভিন্ন গণপরিবহনের যাত্রীরা। পরে হাইওয়ে এবং ট্রাফিক পুলিশ সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে শ্রমিকদের শান্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিবহন শ্রমিকেরা সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় বিভিন্ন স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। শিক্ষার্থীদের মারধর করতে দেখা গেছে তাঁদের।

শিক্ষার্থীদের ওপর পরিবহনশ্রমিকদের হামলা

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল আটটার দিকে পরিবহনশ্রমিকেরা যানবাহন ভাঙচুর ও নিরাপত্তাদের দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন।এ সময় তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা ছাত্র ইউনিয়নসহ সাধারণ ছাত্ররা নগরীর চাষাঢ়া বিজয় স্তম্ভ পয়েন্টে এই অবরোধ সৃষ্টি করে।  এ সময় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের সড়কপথে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে রাখলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়।এদিকে আজ সকাল থেকে রাজধানীতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। মামলা, জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডও দেওয়া হচ্ছে। আর এ কারণে সড়কে গণপরিবহনের সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে কর্মব্যস্ত দিনে সকালবেলাতেই ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আজ সেতু ভবনে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় রাজধানীতে গণপরিবহন সংকট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সবারই তো গাড়ি আছে। নিজের গাড়িকে কেই বা ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের মধ্যে ফেলে দিতে চায়। আমার মনে হয়, এই ভীতিটা কেটে যাবে এবং আস্তে আস্তে পরিবেশ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’‘এটি ভীতি নাকি পেছন থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে’- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা শুধু ভীতির কারণ। কেননা মালিকদের যদি গাড়ি থাকে, তার গাড়িটা ভাঙচুর বা পুড়িয়ে ফেলার একটা আশঙ্কা তো থাকতেই পারে।’

শিক্ষার্থীদের ওপর পরিবহনশ্রমিকদের হামলা