রাবি ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ

216

 

ru president onlinesangbad
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী মিনারুল ইসলাম

সালমান শাকিল রাবি থেকে: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী মিনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অন্যান্য প্রার্থীরা যে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তুলেছেন তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে জানা গেছে। গতকাল শনিবার রাতে মিনারুলের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, হরিণাকু- উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ভিন্ন ভিন্নভাবে এসব অভিযোগের বিষয়গুলো এই প্রতিবেদককে খ-ন করেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃস্পতিবার রাবি ছাত্রলীগের ২৫ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন নিয়ে একটু জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য নেতারা কমিটি ঘোষণা না করেই ঢাকায় চলে যান। সেই জটিলতার সমাধান না হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। তবে সম্মেলনের দিন থেকেই সভাপতি প্রার্থী মিনারুল ইসলামকেই সভাপতি করা হচ্ছে এমন তথ্য ক্যাম্পাসে চাউর হতে থাকে। এতে অন্য প্রার্থীরা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মিনারুলের বিরুদ্ধে শিবিরের এজেন্ট, বিবাহিত ইত্যাদি নানা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলতে থাকে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইটসহ একটি অনলাইন মিডিয়ায় এমন মিথ্যা অভিযোগ তুলে ধরা হয়।তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন মিনারুলের ঝিনাইদহ জেলার আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।ঝিনাইদহের হরিণাকু- উপজেলার ১নং ভায়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহবার আলী মোল্লাহ এ বিষয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার (মিনারুল) বংশের চৌদ্দ পুরুষের মধ্যে জামায়াত-ব্ধিসঢ়;এনপির রাজনীতির সঙ্গে অতীত ও বর্তমানে কেউ জড়িত ছিলো না। উপজেলার ১নয় ভাইনা ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বিশারত আলী বলেন, তার পরিবার ও বংশের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এমনকি জামায়াত-বিএনপি ক্যাডারদের হাতে তার পরিবারের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে বিবাহিতের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।’ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু বলেন, মিনারুল ইসলাম হাইস্কুল জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে। তার পরিবারের অনেকেই আওয়াম লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জড়িত। পরিবারের অনেকেই আমার সঙ্গে রাজনীতি করে।ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রানা হামিদ বলেন, ‘এলাকার ১০ টি আওয়ামী লীগ পরিরার থাকলে আমি বলব, সবচেয়ে পুরাতন আওয়ামী লীগ পরিবার হলো মিনারুলের পরিবার। দলের জন্য অনেক অবদান রয়েছে তাদের। গোয়েন্দা সংস্থার কোনো টিম যদি তার পরিবার ও তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগের সত্যতা পায় তাহলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে আমি এই পদত্যাগ করব।’