বকশীবাজারের আদালতে হাজিরা দিলেন খালেদা জিয়া

441
Khaleda Zia
আজ বৃহস্পতিবার,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে হাজির হন।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার ৮ জুন ২০১৭:বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হাজির হন।রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিল আজ ৮ জুন। এই দুই মামলায় এর আগে গত ১ জুন খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান ৮ জুন শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন।
উল্লেখ্য গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে থেকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এ ড. মো. আক্তারুজ্জামানের আদালতে বদলি করা হয়।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার দু’বছর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।
অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়াও ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। মামলার আসামিরা হলেন,বেগম খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।