চীন,কিংডাও হাইওয়ান ব্রীজ খুলে দিয়েছে

668
চীনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু কিংডাও হাইওয়ান ব্রীজ
চীনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু কিংডাও হাইওয়ান ব্রীজ

চীন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু কিংডাও হাইওয়ান ব্রীজ খুলে দিয়েছে।দীর্ঘ ২৬.৩ মাইল দীর্ঘ সেতুটি অবশেষে নির্মাণ কাজের চার বছর পর খোলা হল। দীর্ঘ সেতুটি Huangdao দ্বীপ ও কিংডাও বন্দরনগরী সংযোগ করেছে। সুদূর অতীতে মানুষ মাইলের পর মাইল হেঁটেই চলতো। জলপথে বেশি দূরত্ব অতিক্রমের কোনো উপায় ছিল না। আর আকাশে ওড়াটা তো তখন রীতিমতো অসম্ভব ছিল। আধূনিক বিজ্ঞানের আশীর্বাদে মানুষ চাঁদে পা রেখেছে। মঙ্গলে যাওয়ার প্রস্তুতিও প্রায় শেষের দিকে। দুর্দান্ত গতিতে মাটিতে চলছে বুলেট ট্রেন। দাপটের সঙ্গে গভীর সমুদ্রে পানির নিচে চলছে সাবমেরিন। অল্প সময়ে নিরাপদে নদীর এপার থেকে ওপারে যাওয়ার জন্য নির্মিত হয়েছে ছোট-বড় সেতু। সেতুগুলো যে শুধু নদীর ওপরই নির্মিত হয়েছে তা নয়। নির্মিত হয়েছে সমুদ্র সেতুও। সমুদ্র সেতুগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম সেতুটির খেতাব বর্তমানে রয়েছে চীনের জিয়াওঝু বে সেতুর কাছে। জিয়াওঝু উপসাগরের ওপর নির্মিত এ সেতুটি দেশটির উত্তরের বন্দরনগরী কিংদাওকে যুক্ত করেছে পাশের একটি দ্বীপ ও শিল্পাঞ্চল হুয়াংদাওয়ের সঙ্গে। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬ দশমিক ৩ মাইল। ২০১১ সালের জুনে সেতুটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বিশ্বের দীর্ঘতম এ সমুদ্র সেতুটি নির্মাণ করতে সময় লাগে চার বছর। ২০০৬ সালে দুই প্রান্ত থেকে দুটি দল সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে খরচ হয় প্রায় ১৫৫ কোটি মার্কিন ডলার। সেতুটির পিলারের সংখ্যা পাঁচ হাজার ২০০-এর বেশি। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন ৩০ হাজারের মতো গাড়ি নিয়মিত চলাচল করতে পারবে। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুর খেতাবটি খুব বেশি দিন আর ধরে রাখতে পারবে না জিয়াওঝু বে সেতু। ২০১৬ সালে চীনেরই আরেকটি সেতু এ রেকর্ড ভাঙবে। ২০০৯ সালে ওই সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করে চীন সরকার। এর আগে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু হিসেবে পরিচিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের লেক পন্টচারট্রেন কজওয়ে। জিয়াওঝু বে সেতুর চেয়ে এটি প্রায় তিন মাইল ছোট। এ সেতু তৈরিতে যে পরিমাণ লোহা ব্যবহার করা হয়েছে তা দিয়ে প্রায় ৬৫টি আইফেল টাওয়ার তৈরি করা সম্ভব।