কক্সবাজারে ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা আটক

278

imagesকক্সবাজার সাগর উপকূলে মাছ ধরার ট্রলার থেকে আজ বুধবার ভোরে ইয়াবার একটি বড় চালান জব্দ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।আটক ব্যক্তিরা হলেন মিয়ানমারের মংডুর সুতাহরা গ্রামের মো. জোবায়ের (৪২), কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার উত্তর সোনারপাড়ার আবদুর রহিম (২০) ও আশেক উল্লাহ (১৯), সোনাইছড়ি এলাকার সামশুল আলম (২৫), মো. হাসান (২০) ও মো. ইউনুছ (৫০) এবং কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ কলাতলী গ্রামের মো. রশিদ (২৯)।র‍্যাবের দাবি, মিয়ানমার থেকে আনা এই ইয়াবার চালানটি টেকনাফ-কক্সবাজার-মহেশখালী-কুতুবদিয়া নৌপথে চট্টগ্রামে পাচার হচ্ছিল। জব্দ করা ইয়াবার মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা।র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, মিয়ানমার থেকে আনা ইয়াবার বড় একটি চালান টেকনাফ থেকে মাছ ধরার ট্রলারে লুকিয়ে পাচার হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল মঙ্গলবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরের কলাতলী এলাকায় অবস্থান নেয়। আজ বুধবার ভোর তিনটার দিকে র‍্যাবের সদস্যরা দেখতে পান, টেকনাফের দিক থেকে একটি ট্রলার কক্সবাজারের দিকে আসছে। এ সময় থামার সংকেত দিলে ট্রলারটি গভীর সাগরের দিকে পালাতে থাকে। র‍্যাব ট্রলারটি ধাওয়া করে। একপর্যায়ে র‍্যাবের সদস্যরা ‘এফবি মায়ের দোয়া’ নামের ওই ট্রলারটি ধরে সেখান থেকে ছয় ব্যক্তিকে আটক এবং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে সাত লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার একটি বাসা থেকে মো. রশিদকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে পাওয়া গেছে আরও ৩০ হাজার ইয়াবা। ওই চালানটির মালিক এই রশিদ।র‍্যাব সূত্র জানায়, গত ৬ জানুয়ারি বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছিল। রশিদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থানায় ইয়াবা চোরাচালানের একাধিক মামলা রয়েছে।কক্সবাজার সদর মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।সূত্র : প্রথম আলো অনলাইন