উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ বাঁধলে তাতে ব্রিটেন অংশ নেবে না:করবিন

185
Jeremy Karin
ব্রিটেনের বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন।
ঢাকা,সোমবার,১৪ আগস্ট ২০১৭: ব্রিটেনের বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন,উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ বাঁধলে তাতে লন্ডন কোনোভাবেই জড়িয়ে পড়বে না বা জড়াবে না। জেরেমি করবিন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার সম্ভাব্য যুদ্ধে লন্ডন যেন কোনোভাবেই না জড়িয়। সম্প্রতি সময়ে পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে তিনি এই হুঁশিয়ারি প্রদান করলেন। সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন,পিয়ংইয়ং এবং ওয়াশিংটন যুদ্ধের খুব কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে তবে সেটা যুদ্ধের রূপ নেবে না।।
ব্রিটিশ দৈনিক সানডে মনিটরে প্রকাশিত এক নিবন্ধে করবিন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের হুমকি পাল্টা হুমকির কারণে পরিস্থিতি অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং যুদ্ধের বিপদ বেড়েই চলেছে। তিনি বলেন, “সমস্ত বিবেচনায় ও পুরো বিশ্বের নিরাপত্তার স্বার্থে সংলাপ এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যেমে যুদ্ধের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করা উচিত। সম্ভাব্য এ যুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের জড়িয়ে পড়া কোনোভাবেই উচিত হবে না।”ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছেন, কূটনৈতিক উপায়ে আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার অচলাবস্থা নিরসনের জন্য ওয়াশিংটন এবং তার মিত্রদের সঙ্গে লন্ডন কাজ করছে। জনসনের এ বক্তব্যের পর করবিন তার নিবন্ধে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারকে হুঁশিয়ার করলেন।
এ দিকে হোয়াইট হাউজের সাবেক কমিউনিকেশন ডিরেক্টর অ্যান্থনি স্কারামুচি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। হোয়াইট হাউজে নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১০ দিনের মাথায় বরখাস্ত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মত স্কারামুচি মুখ খুললেন।মার্কিন রাজনৈতিক শ্রেণি ট্রাম্পকে পছন্দ করছে না এবং এ কারণে তাকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে।হোয়াইট হাউজে এ সব ব্যক্তিরা রয়েছেন উল্লেখ করে অ্যান্থনি স্কারামুচি বলেন, তারা ট্রাম্পের স্বার্থে কাজ করে না এবং তার কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো সহায়তা করছেন না সূত্রঃব্রিটিশ দৈনিক সানডে মনিটর।
Anthony Skaramuchi
হোয়াইট হাউজের সাবেক কমিউনিকেশন ডিরেক্টর অ্যান্থনি স্কারামুচি