আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

293

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ।৭ মার্চ ১৯৭১ বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন।১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতির জীবনে স্বাধীনতার স্পন্দন জাগিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বজ্রকণ্ঠে যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন তার মধ্যে নিহিত ছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ডাক।মহান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জনের এই দীর্ঘ বন্ধুর পথে বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সঠিক দিকনির্দেশনা জাতিকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়।১৯৭১ সালের ৭ মার্চ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার সাথে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে বজ্রকণ্ঠে যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন তা মূলত বাঙালি জাতির স্বাধীনতার দলিল। কালজয়ী এই ভাষণ ছিল বাংলাদেশের ভিত্তিমূল। দৃঢ় মনোবল, অনন্য বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ভাস্বর ওই ভাষণে তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বাঙালির আবেগ, স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষাকে একসূত্রে গেঁথে বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করলেন বাঙালির মুক্তির সনদ, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’, যা ছিল মূলত স্বাধীনতার ডাক।উল্লেখিত ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের পর সারাবাংলার মুক্তিপাগল উদ্বেলিত জনগণ মুক্তিযুদ্ধের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।ঐতিহাসিক ভাষণের সেই ধারাবাহিকতায় আসে ২৬ মার্চ ১৯৭১, ঘোষিত হয় বাঙালি জাতির বহু কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা।বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি অর্জন করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্যদিয়ে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত হল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাই ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ
আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ